কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬
Last updated on December 24th, 2025 at 12:17 am
পড়তে লাগবে 8 মিনিটসুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন এবং ক্যারিয়ারের সুনিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশের সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কোনো বিকল্প নেই। আপনি যদি ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়ে থাকেন এবং একটি সম্মানজনক ক্যারিয়ারের লক্ষ্য থাকে, তবে কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ আপনার জন্য সবচেয়ে বড় সুযোগ হতে পারে। বাংলাদেশ যেহেতু একটি কৃষি প্রধান দেশ, তাই এই সেক্টরে দক্ষ ও উচ্চশিক্ষিত জনশক্তির চাহিদা যেমন দেশে ব্যাপক, তেমনি বিদেশের মাটিতেও রয়েছে অপার সম্ভাবনা।
GK নিয়ে সমস্যা? এখনই সংগ্রহ করে নাও বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক ও সাম্প্রতিক সংবলিত ৮০০+ MCQ এর মেগা পিডিএফ! নিতে এখনই নক করো [শুধু মাত্র প্রথম ৩০০ জনকে সরবরাহ করা হবে!!!]
একই ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের ৯টি সরকারি কৃষি ও কৃষি প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায় বলে একে ‘সমন্বিত বা গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা’ বলা হয়। এটি শিক্ষার্থীদের যেমন ভর্তি যুদ্ধের হয়রানি কমায়, তেমনি সময় ও অর্থ উভয়েরই সাশ্রয় করে। আজকের এই বিস্তারিত আর্টিকেলে আমরা ২০২৫-২০২৬ সেশনের ভর্তি প্রক্রিয়া, আবেদনের যোগ্যতা এবং আসন সংখ্যা নিয়ে লেটেস্ট তথ্যগুলো আলোচনা করব।
কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ ও এর আসন সংখ্যা
কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ প্রকাশের আগে ভর্তিচ্ছুদের সবচেয়ে বড় কৌতূহল থাকে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় এই গুচ্ছে থাকছে এবং মোট আসন সংখ্যা কত? বর্তমানে বাংলাদেশের ৯টি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় এই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যতম আকর্ষণ।
সাধারণত প্রতি বছর প্রায় ৩,৭১৫-এর বেশি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন ও প্রস্তুতির সুবিধার্থে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এবং তাদের আসন সংখ্যার একটি সম্ভাব্য চিত্র নিচে দেওয়া হলো:
| বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম | আসন সংখ্যা (আনুমানিক) | অবস্থান |
| বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) | ১১১৬ | ময়মনসিংহ |
| বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় | ৪৩৫ | গাজীপুর |
| শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) | ৬৯৮ | ঢাকা |
| পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় | ৪৪৩ | পটুয়াখালী |
| সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় | ৪৩১ | সিলেট |
| খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় | ১৫০ | খুলনা |
| চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বি.বি | ২৪৫ | চট্টগ্রাম |
| হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় | ৯০ | হবিগঞ্জ |
| কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় | ৮০ | কুড়িগ্রাম |
মনে রাখবেন, আসন সংখ্যা প্রতি বছর ইউজিসি (UGC) এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এই আসন বিন্যাস স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হবে। তবে ভালো সাবজেক্ট নিশ্চিত করতে হলে আপনাকে অবশ্যই মেধা তালিকায় প্রথম সারিতে থাকতে হবে।
আরও পড়ুনঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ২০২৫-২০২৬
আবেদনের যোগ্যতা
কৃষি গুচ্ছের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এখানে শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরাই আবেদনের সুযোগ পান। আপনি যদি কৃষিশিক্ষায় নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তবে কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ অনুযায়ী আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু জিপিএ শর্ত পূরণ করতে হবে। মূলত মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাছাই করার জন্যই এই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যোগ্যতার মানদণ্ড কিছুটা চ্যালেঞ্জিং রাখা হয়। সাধারণত এই পদ্ধতিতে আবেদনের জন্য নিম্নোক্ত যোগ্যতাগুলো থাকা আবশ্যক:
- শিক্ষাবর্ষ: আবেদনকারীকে ২০২২ বা ২০২৩ সালে এসএসসি (বা সমমান) এবং ২০২৪ বা ২০২৫ সালে এইচএসসি (বা সমমান) পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে। অর্থাৎ, কৃষি গুচ্ছে সেকেন্ড টাইম (Second Time) আবেদনের সুযোগ থাকছে, যা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য বড় একটি আশীর্বাদ।
- জিপিএ রিকোয়ারমেন্ট: এসএসসি এবং এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে। তবে মনে রাখবেন, উভয় পরীক্ষার মোট জিপিএ (চতুর্থ বিষয়সহ) অন্তত ৮.৫০ হতে হবে।
- বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা: উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পর্যায়ে রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়গুলো থাকা বাধ্যতামূলক। অনেক ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলোতে আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকার শর্ত দেওয়া হয়।
জিপিএ রিকোয়ারমেন্ট চেকলিস্ট:
- এসএসসি ও এইচএসসি উভয়ই বিজ্ঞান বিভাগ থেকে হতে হবে।
- উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ (চতুর্থ বিষয় বাদে)।
- সর্বমোট জিপিএ ৮.৫০ বা তার বেশি (চতুর্থ বিষয়সহ)।
- এইচএসসি পর্যায়ে জীববিজ্ঞান ও গণিত থাকা আবশ্যক।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও আবেদন ফি
ভর্তি পরীক্ষার মূল সার্কুলার প্রকাশিত হওয়ার পরপরই আবেদনের সময়সীমা ঘোষণা করা হয়। সাধারণত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কয়েক মাস পর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ এর সম্ভাব্য সময়রেখা অনুযায়ী, আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে।
নিচে একটি সম্ভাব্য সময়সূচী দেওয়া হলো যা আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে:
| ইভেন্টের নাম | সম্ভাব্য সময়সূচী |
| অনলাইন আবেদন শুরু | মে/জুন ২০২৬ |
| অনলাইন আবেদন শেষ | জুন ২০২৬ এর শেষ সপ্তাহ |
| প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু | জুলাই ২০২৬ |
| ভর্তি পরীক্ষার তারিখ | জুলাই – আগস্ট ২০২৬ |
| ফলাফল প্রকাশ | পরীক্ষার ৩-৫ দিনের মধ্যে |
আবেদন ফি ও পেমেন্ট পদ্ধতি:
কৃষি গুচ্ছের আবেদন ফি সাধারণত ১২০০ টাকা হয়ে থাকে (তবে এটি কর্তৃপক্ষভেদে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে)। এই ফি প্রদানের জন্য আপনাকে কোনো ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে না। আপনি ঘরে বসেই মোবাইল ব্যাংকিং যেমন বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে পারবেন। ফি জমা দেওয়ার পর অবশ্যই কনফার্মেশন মেসেজ এবং ট্রানজেকশন আইডিটি সংরক্ষণ করবেন, কারণ এটি পরবর্তীতে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময় প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখবেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি জমা না দিলে আপনার প্রাথমিক আবেদনটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
মানবন্টন ও পরীক্ষা পদ্ধতি
ভর্তি পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য পরীক্ষার ধরণ এবং মানবন্টন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অর্ধেক প্রস্তুতির সমান। কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ অনুযায়ী, পরীক্ষাটি সাধারণত ১০০ নম্বরের এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়। এই পরীক্ষার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সময় ব্যবস্থাপনা, কারণ ১০০টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনি সময় পাবেন মাত্র ৬০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা।
আরও পড়ুনঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি করা হয়। নিচে বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন একটি টেবিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:
| বিষয়ের নাম | বরাদ্দকৃত নম্বর | প্রশ্নের সংখ্যা |
| জীববিজ্ঞান (Biology) | ৩০ | ৩০ |
| রসায়ন (Chemistry) | ২০ | ২০ |
| পদার্থবিজ্ঞান (Physics) | ২০ | ২০ |
| উচ্চতর গণিত (Higher Math) | ২০ | ২০ |
| ইংরেজি (English) | ১০ | ১০ |
| সর্বমোট | ১০০ | ১০০ |
পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলী:
- নেগেটিভ মার্কিং: প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। অর্থাৎ ৪টি ভুল উত্তরের জন্য আপনার প্রাপ্ত নম্বর থেকে ১ নম্বর বিয়োগ হবে। তাই উত্তর করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।
- প্রশ্নের মান: প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর বরাদ্দ থাকবে।
- পাস নম্বর: সাধারণত মেধা তালিকায় স্থান পেতে হলে ন্যূনতম একটি সম্মানজনক নম্বর পেতে হয়, তবে কোনো ধরাবাঁধা পাস নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকে না; এটি প্রতিযোগিতার ওপর নির্ভর করে।
জিপিএ স্কোর গণনা পদ্ধতি
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় শুধু ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষাই সব নয়, আপনার পূর্বের একাডেমিক ফলাফল বা জিপিএ-র ওপর একটি বড় নম্বর বরাদ্দ থাকে। কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ অনুযায়ী, মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি করা হয়। এর মধ্যে ১০০ নম্বর থাকে ভর্তি পরীক্ষার এবং বাকি ৫০ নম্বর থাকে আপনার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।
এই ৫০ নম্বর যেভাবে বণ্টন করা হয়:
১. এসএসসি/সমমান পরীক্ষার জিপিএ (চতুর্থ বিষয়সহ): ২৫ নম্বর।
২. এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার জিপিএ (চতুর্থ বিষয়সহ): ২৫ নম্বর।
জিপিএ স্কোর হিসাব করার সহজ নিয়ম:
আপনার এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএকে ৫ দিয়ে গুণ করলেই আপনি আপনার জিপিএ স্কোর পেয়ে যাবেন। নিচে একটি উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করা হলো:
উদাহরণস্বরূপ:
যদি কোনো শিক্ষার্থীর এসএসসিতে জিপিএ ৫.০০ এবং এইচএসসিতে জিপিএ ৫.০০ থাকে, তবে তার স্কোর হবে:
- এসএসসি স্কোর: ৫.০০ × ৫ = ২৫
- এইচএসসি স্কোর: ৫.০০ × ৫ = ২৫
- মোট জিপিএ স্কোর: ২৫ + ২৫ = ৫০
অর্থাৎ, যাদের উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০ আছে, তারা শুরুতেই ৫০ নম্বরে এগিয়ে থাকছেন। তবে যাদের জিপিএ কিছুটা কম, তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই; ভর্তি পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। মেধা তালিকা তৈরির সময় ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বর এবং জিপিএ-র ৫০ নম্বর যোগ করে মোট ১৫০ নম্বরের ওপর ভিত্তি করে সিরিয়াল বা মেরিট লিস্ট দেওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ২০২৫-২০২৬
আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ প্রকাশের পর যোগ্য প্রার্থীদের অনলাইনে নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে হয় যাতে কোনো তথ্য ভুল না হয়। নিচে আপনার সুবিধার জন্য একটি সহজ আবেদন গাইড প্রদান করা হলো:
১. অফিসিয়াল পোটাল ভিজিট: প্রথমে কৃষি গুচ্ছ ভর্তির নির্ধারিত ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে।
২. প্রাথমিক লগ-ইন: আপনার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং শিক্ষা বোর্ডের তথ্য দিয়ে লগ-ইন করুন।
৩. তথ্য যাচাই ও পূরণ: আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, বর্তমান ঠিকানা এবং যে কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক তা সাবধানে নির্বাচন করুন।
৪. ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড: সাম্প্রতিক তোলা রঙিন ছবি (৩০০×৩০০ পিক্সেল) এবং স্ক্যান করা স্বাক্ষর আপলোড করুন। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড হালকা রঙের হওয়া ভালো।
৫. পেমেন্ট সম্পন্ন করা: আবেদন শেষে নির্ধারিত ফি (সম্ভাব্য ১২০০ টাকা) মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/রকেট/নগদ) এর মাধ্যমে জমা দিন।
সতর্কতা নোট: > * আপনার নিজস্ব সচল মোবাইল নম্বর ব্যবহার করুন, কারণ ভর্তি সংক্রান্ত সকল পিন ও পাসওয়ার্ড ওই নম্বরেই পাঠানো হবে।
- আবেদনের কপি (Application Preview) ডাউনলোড করে অবশ্যই প্রিন্ট করে রাখুন, যা পরবর্তীতে প্রয়োজন হবে।
উপসংহার
সবশেষে বলা যায়, দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য। আপনি যদি স্বপ্ন দেখেন একজন সফল কৃষিবিদ হওয়ার, তবে কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ সুযোগ। সময় নষ্ট না করে এখন থেকেই মূল বইগুলো (Textbooks) ভালোভাবে আয়ত্তে আনুন এবং নিয়মিত প্রশ্ন ব্যাংক সমাধান করুন। আপনার আত্মবিশ্বাস এবং পরিশ্রমই আপনাকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যাবে।
আরও পড়ুনঃ সাত কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন ১: কৃষি গুচ্ছে কি সেকেন্ড টাইম পরীক্ষা দেওয়া যায়? উত্তর: হ্যাঁ, কৃষি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৫-২০২৬ অনুযায়ী গত বছর যারা এইচএসসি পাস করেছেন তারাও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
প্রশ্ন ২: ভর্তি পরীক্ষার জন্য কি আলাদা কোনো বই পড়তে হবে? উত্তর: মূল টেক্সট বই-এর পাশাপাশি বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধানের জন্য একটি ভালো মানের ‘কৃষি গুচ্ছ ভর্তি সহায়িকা’ বা প্রশ্ন ব্যাংক অনুসরণ করা জরুরি।
প্রশ্ন ৩: মোট কত নম্বরের পরীক্ষা হবে? উত্তর: ১০০ নম্বরের এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষা হবে এবং ৫০ নম্বর থাকবে আপনার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ-র ওপর। মোট ১৫০ নম্বরের মেধা তালিকা তৈরি করা হবে।
প্রশ্ন ৪: নেগেটিভ মার্কিং কি আছে? উত্তর: হ্যাঁ, প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। ৪টি ভুল উত্তরে ১ নম্বর কাটা হবে।
প্রশ্ন ৫: আবেদন ফি কত হতে পারে? উত্তর: সাধারণত আবেদন ফি ১২০০ টাকা হয়ে থাকে, তবে কর্তৃপক্ষ চাইলে ফি কিছুটা পরিবর্তন করতে পারে যা চূড়ান্ত সার্কুলারে জানা যাবে।
আপনার আগামীর দিনগুলো সফল হোক এবং স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান এই শুভকামনা রইল!






