স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম কী? উদাহরণ সহ সঠিক নিয়ম

স্কুল জীবনে বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রধান শিক্ষকের কাছে বিভিন্ন ধরণের আবেদন বা দরখাস্ত করার প্রয়োজন হয়। বর্তমান সময়ে যোগাযোগের জন্য ডিজিটাল অনেক মাধ্যম থাকলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে দরখাস্তের গুরুত্ব এখনো অনস্বীকার্য। সঠিক পদ্ধতিতে এবং সুন্দর ভাষায় আবেদন না করলে অনেক সময় বিষয়টি কর্তৃপক্ষের কাছে সঠিক গুরুত্ব পায় না। তাই স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম জানা থাকা প্রতিটি সচেতন শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি দক্ষতা। একটি সুন্দর ও মার্জিত দরখাস্ত কেবল আপনার সমস্যার কথা বা প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে না, বরং এটি আপনার সৃজনশীলতা, ব্যক্তিত্ব এবং শিষ্টাচারের সঠিক পরিচয় বহন করে। অসুস্থতার কারণে অগ্রিম ছুটি হোক কিংবা বেতন মওকুফের বিশেষ আবেদন, প্রতিটি ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট বা কাঠামো অনুসরণ করতে হয়।
এডু জগৎ‘ এর আজকের এই আলোচনায় আমরা সহজভাবে স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব যাতে আপনি খুব সহজেই নিজের প্রয়োজনে একটি সঠিক ও পেশাদার আবেদনপত্র তৈরি করতে পারেন।
স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম – দরখাস্তের অপরিহার্য অংশসমূহ
একটি পূর্ণাঙ্গ এবং কার্যকর দরখাস্ত মূলত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়। স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি অংশের নিজস্ব সুনির্দিষ্ট গুরুত্ব রয়েছে এবং এগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে সাজানো অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত একটি মানসম্মত ফরমাল দরখাস্তে সাতটি প্রধান অংশ থাকে যা আবেদনটিকে পেশাদার রূপ দেয়। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে আমরা স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম এবং এর প্রতিটি প্রয়োজনীয় অংশের বিস্তারিত কাজ দেখে নেব।
| দরখাস্তের অংশ | বর্ণনা ও প্রয়োজনীয়তা |
| তারিখ | যেদিন দরখাস্তটি জমা দেওয়া হচ্ছে সেই দিনটি উল্লেখ করা |
| প্রাপকের পদবি ও ঠিকানা | সাধারণত প্রধান শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট স্কুলের সঠিক ঠিকানা |
| বিষয় | আবেদনের মূল কারণটি মাত্র এক লাইনে সংক্ষেপে ফুটিয়ে তোলা |
| সম্বোধন | মার্জিত ও সম্মানসূচক শব্দের ব্যবহার যেমন জনাব বা মহোদয় |
| মূল বিষয়বস্তু | সমস্যার বিস্তারিত এবং যৌক্তিক বর্ণনা দুই বা তিন প্যারায় |
| উপসংহার | বিনীতভাবে আবেদনটি মঞ্জুর করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানানো |
| শিক্ষার্থীর পূর্ণ তথ্য | শিক্ষার্থীর নাম, বর্তমান শ্রেণি, শাখা ও রোল নম্বর প্রদান করা |
এই অংশগুলো সঠিকভাবে খাতায় বা কাগজে সাজাতে পারলে একটি আবেদনপত্র তার পূর্ণতা পায়। স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম মেনে চলার সময় আপনাকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রতিটি তথ্যের মাঝে বা দুই প্যারাগ্রাফের মাঝে পর্যাপ্ত জায়গা থাকে এবং লেখাটি যেন পরিষ্কার ও সহজবোধ্য হয়। বিশেষ করে খাতার বাম পাশ থেকে সোজা লাইন বজায় রেখে প্রতিটি অংশ শুরু করা বাঞ্ছনীয়। অযথা অতিরিক্ত কথা এড়িয়ে সরাসরি নিজের মূল সমস্যা বা চাহিদার কথাটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা ভালো। এতে দরখাস্তটি যেমন সুন্দর দেখায় তেমনি শিক্ষক বা কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ২০২৫-২০২৬
স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম : কিছু কার্যকর টিপস
স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম কেবল একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং এখানে উপস্থাপনার ধরণটিও অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। দরখাস্তের ভাষা হতে হবে সহজ, সরল এবং মার্জিত যাতে শিক্ষক বা কর্তৃপক্ষ আপনার কথাটি সহজেই অনুধাবন করতে পারেন। অপ্রয়োজনীয় আবেগপ্রবণ কথা বাদ দিয়ে সরাসরি মূল পয়েন্টে কথা বলা একটি ভালো দরখাস্তের লক্ষণ। কাগজের পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত কারণ অতিরিক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাজা কর্তৃপক্ষের মনে বিরূপ প্রভাব তৈরি করতে পারে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনেক সময় ইমেইলের মাধ্যমেও ছুটির আবেদন পাঠাতে হতে পারে। সেক্ষেত্রেও স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম অনুযায়ী সাবজেক্ট লাইনে নিজের নাম, শ্রেণি ও রোল নম্বর পরিষ্কারভাবে লিখে বডি টেক্সটে মূল অংশটি টাইপ করা উচিত। দরখাস্তে নির্দিষ্ট মার্জিন বা বাম পাশে সঠিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং বানান ভুলের ব্যাপারে সচেতন থাকা একজন আদর্শ শিক্ষার্থীর পরিচয় দেয়। সঠিক শব্দ চয়ন এবং বিনয়ী ভঙ্গি আপনার আবেদনটি অনুমোদনের সম্ভাবনা অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
নমুনা দরখাস্ত ১: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন
অনেক সময় হঠাৎ অসুস্থতা বা পারিবারিক কোনো বিশেষ জরুরি কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুল কামাই করার প্রয়োজন হয়। এমন পরিস্থিতিতে স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম মেনে যথাযথভাবে প্রধান শিক্ষকের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া আবশ্যক। নিচে একটি আদর্শ নমুনা দেওয়া হলো যা আপনারা নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য বসিয়ে খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।
তারিখ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬
নমুনা দরখাস্ত ১
বরাবর,
প্রধান শিক্ষক,
আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা।
বিষয়: অসুস্থতার কারণে ছুটির জন্য আবেদন।
জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমি হঠাৎ তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমাকে এই কয়েকদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়েছে এবং সুস্থ হতে সময় লেগেছে।
অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনা করে উক্ত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন।
নিবেদক,
আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র,
মোহাম্মদ আবরার
শ্রেণি: নবম, শাখা: ক, রোল: ০৫।
বিভিন্ন প্রকার স্কুল দরখাস্তের ধরণ
স্কুল জীবনে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নানা প্রশাসনিক ও বৈচিত্র্যময় পরিস্থিতিতে আবেদনের প্রয়োজন পড়ে। স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়মগুলো প্রতিটি বিষয়ের ক্ষেত্রে কাঠামোগতভাবে প্রায় একই রকম থাকলেও মূল বিষয়বস্তুর বর্ণনায় এবং তথ্য উপস্থাপনে কিছুটা ভিন্নতা থাকে। যেমন যদি আপনি বর্তমান বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র বা টিসি নিতে চান তবে সেখানে আপনার অভিভাবকের চাকরিস্থল বদলি অথবা স্থায়ী বাসভবন পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট কারণটি স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে। আবার অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পরিবারের সাময়িক আর্থিক সমস্যার কারণে মাসিক বেতন মওকুফ বা অর্ধেক বেতনে পড়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য আবেদন করে থাকেন। এক্ষেত্রে নিজের পারিবারিক বর্তমান অবস্থার কথাটি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। এছাড়াও বিশেষ শিক্ষা সফরের অনুমতি চাওয়া, স্কাউট বা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি কিংবা স্কুলের লাইব্রেরি থেকে নতুন বই সংগ্রহ করার জন্য আবেদন করা একটি সাধারণ বিষয়। অনেক সময় বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলে কোনো অসঙ্গতি বা মার্কশিটে নামের বানান ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন করতে হয়। মনে রাখবেন স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম সঠিকভাবে আয়ত্ত করতে পারলে আপনার প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিটি কাজই অনেক দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং কর্তৃপক্ষও আপনার আবেদনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন। প্রতিটি আলাদা বিষয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং মার্জিত ভাষা ব্যবহার করে আবেদন উপস্থাপন করা একজন সচেতন ছাত্রের প্রধান দায়িত্ব।
আরও পড়ুনঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি তথ্য ২০২৫-২০২৬
নমুনা দরখাস্ত ২: জরিমানা মওকুফ বা ছাড়পত্রের আবেদন
একটি আদর্শ ছাড়পত্র বা টিসি নেওয়ার নমুনা আবেদনপত্র নিচে প্রদান করা হলো। অনেক সময় পরিবারের বিশেষ প্রয়োজনে ছাত্রছাত্রীদের মাঝপথে স্কুল পরিবর্তন করার প্রয়োজন পড়ে কিন্তু সঠিক নিয়ম না জানার ফলে আবেদনের ভাষা নির্ধারণ করতে তারা সমস্যায় ভোগেন। নিচে দেওয়া এই নমুনাটি স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম এবং সঠিক গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে যাতে আপনি কেবল নিজের তথ্যগুলো পরিবর্তন করেই এটি ব্যবহার করতে পারেন।
তারিখ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বরাবর,
প্রধান শিক্ষক,
সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।
বিষয়: বিদ্যালয় ত্যাগের ছাড়পত্র প্রদানের জন্য আবেদন।
জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সম্প্রতি আমার বাবার সরকারি চাকরিতে নতুন কর্মস্থলে বদলির আদেশ হয়েছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই আমাদের সপরিবারে খুলনা শহরে চলে যেতে হবে। বর্তমান আবাসন সমস্যা এবং দূরত্বের কারণে আমার পক্ষে এই বিদ্যালয় থেকে আর পড়াশোনা নিয়মিত চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। খুলনাতে কোনো নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য আমার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ছাড়পত্র প্রয়োজন।
অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার এই বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমাকে বিদ্যালয় ত্যাগের ছাড়পত্রটি প্রদান করে শিক্ষা জীবন নিরবচ্ছিন্ন রাখার সুযোগ দানে বাধিত করবেন।
নিবেদক,
আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র,
রাইয়ান আহমেদ
শ্রেণি: অষ্টম, শাখা: খ, রোল: ১২।
স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম : দরখাস্ত লেখার সাধারণ কিছু ভুল
অনেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য জানলেও সামান্য কিছু অসতর্কতার কারণে আবেদন করার সময় বড় ধরণের ভুল করে ফেলেন। স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম অনুযায়ী সবচেয়ে বড় ভুল হলো তারিখ বা প্রাপকের ঠিকানা ভুলভাবে উপস্থাপন করা। অনেক শিক্ষার্থী আবেদনের বিষয়টি দীর্ঘ বা অস্পষ্ট করে ফেলেন যার ফলে মূল সমস্যাটি এক পলকে বোঝা সম্ভব হয় না। এছাড়া দরখাস্তের শেষে নিজের শ্রেণি, রোল নম্বর বা আইডি নম্বর লিখতে ভুলে যাওয়া একটি অপেশাদার আচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাগজের চারদিকে মার্জিন না টানা বা এলোমেলো ভাবে লাইন লেখা দরখাস্তের গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। অনেকেই বর্তমান সময়ের ফরম্যাট বাদ দিয়ে অনেক পুরনো সেকেলে ভাষা ব্যবহার করেন যা ঠিক নয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কোনো জরুরি কাগজ বা প্রমাণপত্র যেমন ডাক্তারের সার্টিফিকেট সাথে যুক্ত না করেই অসুস্থতার ছুটির আবেদন জমা দেওয়া হয়। এসব ছোটখাটো ভুল এড়িয়ে চললে একটি দরখাস্ত যেমন সুন্দর দেখায় তেমনি তা দ্রুত অনুমোদনের সুযোগ বৃদ্ধি করে। তাই চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার আগে স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়মগুলো আরও একবার ভালো করে যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
উপসংহার
একটি পরিষ্কার ও নির্ভুল দরখাস্ত কেবল প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান করে না বরং শিক্ষার্থীর মেধা ও সচেতনতার স্বাক্ষর বহন করে। স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম সঠিকভাবে আয়ত্ত করা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি একটি জীবন দক্ষতা। আপনি যখন প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম মেনে সুন্দর ভাষায় আবেদন করতে শিখবেন তখন আপনার আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে তেমনি এটি আপনাকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করবে। আশা করি আজকের এই বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই যেকোনো প্রয়োজনে পেশাদার পদ্ধতিতে দরখাস্ত লেখার কৌশলগুলো বুঝতে পেরেছেন। মনে রাখবেন একটি মার্জিত আবেদন আপনার যেকোনো জটিল সমস্যা সমাধানে শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা লাভে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আপনিও এই লেখায় পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ জিএসটি গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫-২০২৬
পরিশেষে, আমাদের আজকের আর্টিকেলে আমরা স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম সম্পর্কিত যাবতীয় প্রায় সকল কিছুই জানলাম। আশা করি প্রিয় পাঠক “স্কুল দরখাস্ত লেখার নিয়ম কী?” নিয়ে প্রায় সকল তথ্যই ভালোভাবেই জানতে পেয়েছেন আমাদের আজকের এই লেখা থেকে!
সবশেষে, আশা করি আমাদের আজকের আর্টিকেলটি আপনার ভাল লেগেছে। কিছুটা হলেও উপকার হয়েছে পাঠকের। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে অনুরোধ থাকবে এই ব্লগ পোস্টটি প্রিয় জনদের সাথে শেয়ার করুন। আর কমেন্ট সেকশনে নিজের মূল্যবান মন্তব্য রেখে যেতে ভুলবেন না কিন্তু! আজকের মতো এখানেই শেষ করছি, দেখা হচ্ছে পরবর্তী কোনো এক লেখায়!






